ব্রেকিং নিউজ :
December 18, 2016

মানুষদের পুরুষাঙ্গে হাড় নেই কেন?

শিম্পাঞ্জি, ভাল্লুক এবং অন্যান্য বেশির ভাগ স্তন্যপায়ী প্রাণীর পুরুষাঙ্গে হাড় থাকলেও মানুষদের পুরুষাঙ্গে হাড় নেই। মানুষদের পুরুষাঙ্গে হাড় না থাকার একটি কারণ আমরা খুব বেশি সময় ধরে যৌন মিলন করি না যে আমাদের পুরুষাঙ্গে হাড় থাকা লাগবে। মাংসাশী এবং প্রাইমেটদের একই উত্তরসূরিদের পুরুষাঙ্গে হাড় ছিল। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে পুরুষাঙ্গের বিবর্তন ঘটে ১৪৫ থেকে ৯৫ মিলিয়ন বছর আগে। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের এক নতুন গবেষণায় এমনটাই প্রমাণিত হয়েছে।

গবেষকরা বলেন,  যেসব প্রাইমেট তিন মিনিট বা আরো বেশি সময়ের জন্য যৌন মিলন করে তাদের পুরুষাঙ্গে হাড় থাকে। অন্যদিকে, যে প্রাইমেটরা তিন মিনিটের কম সময় ধরে যোনিবিদ্ধ করে তাদের পুরুষাঙ্গে হাড় থাকে না। আয়ে-আয়ে নামের এক নিশাচর লেমুর একবারে টানা এক ঘণ্টা ধরে সঙ্গম করে। আর এই প্রাণীর পুরষাঙ্গের হাড়টিও অনেক লম্বা। মৌসুমি প্রজননে অভ্যস্ত এবং বহুগামী প্রজননপদ্ধতির প্রজাতিগুলোর মধ্যেও লম্বা পুরষাঙ্গের হাড় দেখা যায়।

মানুষদের পুরুষাঙ্গে হাড় না থাকার আরেকটি কারণ মানুষরা সারা বছরজুড়েই যৌনতা ও প্রজননে লিপ্ত হয়। এবং অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় তাদের মানুষদের যৌনতা ও প্রজনন অনেক কম প্রতিযোগিতামূলক। শিম্পাঞ্জিরা একবারে মাত্র টানা ৭ সেকেন্ডের জন্য সঙ্গম করতে পারে। ফলে তাদের পুরুষাঙ্গের হাড় খুবই ছোট। বানরদের মধ্যেও বহুগামিতা রয়েছে। একটি নারী বানরের সঙ্গে একদিনে একাধিক পুরুষ বানর যৌন মিলন করে। যখন ওই নারী বানরটি উত্তপ্ত থাকে। পুরুষ শিম্পাঞ্জিদের অণ্ডকোষ খুবই বড় হয়। যা তাদের মস্তিষ্কের আকারের সমান। কারণ তারা একই সঙ্গে একাধিক নারীর সঙ্গে মিলনের জন্য প্রচুর শুক্রাণু উৎপাদন করে। মানুষদের অণ্ডকোষ কিছুটা ছোট। যা থেকে বুঝা যায় মানুষ পুরুষরা একাধিক নারীর সঙ্গে মিলনের জন্য নয় বরং একগামী। একগামীদের পুরুষাঙ্গে হাড় থাকার প্রয়োজনীয়তা নেই।
সূত্র : দ্য ইনডিপেনডেন্ট

একই রকম সংবাদ

সম্পাদকঃ আলী অাহমদ
যোগাযোগঃ ১৪৮/১, গ্রীণ ওয়ে, নয়াটোলা, মগবাজার, ঢাকা-১০০০
ফোনঃ ০১৭৯৪৪৪৯৯৯৭-৮
ইমেইলঃ bangladesh24online.news@gmail.com

Copyrıght Bangladesh24online @ 2015.               এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি ।