ব্রেকিং নিউজ :
June 9, 2017

নগরবাসীর ভোগান্তি কমিয়েছে আধুনিক গণশৌচাগার

ঢাকায় প্রতিদিন প্রায় ৫৫ লাখ মানুষের গণশৌচাগার ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে ভাসমান মানুষ পাঁচ লাখ। রিকশাচালক ১০ লাখ। অন্যান্য জীবিকার মানুষ ১০ লাখ। নিয়মিত পথচারী ২০ লাখ। ঢাকার বাইরে থেকে আসা পথচারী ১০ লাখ।

গণশৌচাগার ব্যবহারের এই প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার ১০টি গণশৌচাগারের চেহারা একদম বদলে ফেলা হয়েছে। দেয়াল-মেঝে ঝকঝকে। মাথার ওপরে ঘুরছে বৈদ্যুতিক পাখা। প্রতিটি গণশৌচাগারে নারী, পুরুষ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা কক্ষ, ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ, টিস্যু পেপার, হ্যান্ডওয়াশ, বিশুদ্ধ খাওয়ার পানি ও গোসলের ব্যবস্থা আছে। আছে শৌচাগার ব্যবহারকারীদের জন্য লকার। বাইরে আছে ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা। আছেন পেশাদার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও নারী নিরাপত্তাকর্মী।

জানা যায়, ২০১৪ সালে ঢাকা শহরের গণশৌচাগার মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করতে ডিএসসিসি, ঢাকা ওয়াসা ও ওয়াটারএইডের মধ্যে চুক্তি হয়। এই চুক্তির আওতায় বাহাদুর শাহ পার্কের ভেতর একটি, মুক্তাঙ্গনে একটি, ওসমানী উদ্যানে দুটি, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় তিনটি, মানিকনগরে একটি, লালবাগে একটি ও পান্থকুঞ্জ পার্কে একটি করে গণশৌচাগার নির্মাণ করেছে ওয়াটারএইড। একেকটি গণশৌচাগার নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা। এখন কমলাপুর রেলস্টেশন, সদরঘাট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রমনা কালীমন্দির ও পুরান ঢাকার বাংলাদেশ মাঠ এলাকায় আরও ছয়টি শৌচাগার নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। গত নভেম্বর থেকে ডিএসসিসির বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে ১২ কোটি ২৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকা ব্যয়ে নগরের বিভিন্ন স্থানে ৪৭টি নতুন গণশৌচাগারের নির্মাণকাজ চলছে। এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকার ১৭টি গণশৌচাগার সংস্কার ও উন্নয়নে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয় করছে ডিএসসিসি।

একই রকম সংবাদ

সম্পাদকঃ আলী অাহমদ
যোগাযোগঃ ১৪৮/১, গ্রীণ ওয়ে, নয়াটোলা, মগবাজার, ঢাকা-১০০০
ফোনঃ ০১৭৯৪৪৪৯৯৯৭-৮
ইমেইলঃ [email protected]

Copyrıght Bangladesh24online @ 2015.               এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি ।