ব্রেকিং নিউজ :
July 7, 2015

টিকিয়ে রাখতে হবে চলচ্চিত্র শিল্পকে

editorial‘নাটক মোদের হাতিয়ার- শোষকেরা হুশিয়ার’ এই কথার মধ্যেই নিহিত রয়েছে গণমাধ্যম তথা চলচ্চিত্রের প্রভাব কতটুকু। সাধারণ মানষকে সচেতন করতে এ মাধ্যমের গুরুত্ব অনেক। সুস্থ্য বিনোদনের আরও একটি মাধ্যমও এই চলচ্চিত্র।অথচ বাংলাদেশে চলচ্চিত্র শিল্পের আজ করুণ দশা। বাংলাদেশ২৪অনলাইন এ এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছে। প্রতিবেদনে দেশের এই শিল্পের রুগ্নদশা উঠে এসেছে।

৯০’দশক পর্যন্ত সময়কে চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগ ধরা হয়। সেসময় গুণী পরিচালক ও দক্ষ কলাকুশলীবরের কারণে দেশের মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে উপভোগ করেছেন প্রতিটি সিনেমা। জমজমাট ছিল ঢাকার চলচ্চিত্র। কিন্তু বিংশ শতিাব্দীতে অশনি দশা হানা দেয় এই শিল্পে। মুনাফার লোভে দু-একজন পরিচালক-প্রযোজক ‘শিল্প’কে বানিয়ে ফেলে পণ্যে। মুক্তি পেতে থাকে নামসর্বস্ব সিনেমা। অশ্লীলতা যার ‍মুল পুজি। ফলে  পরিবার-পরিজন নিয়ে সিনেমা হলে যেয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরে সাধারণ মানূষ। তারপর থেকেই ধস নামে এই শিল্পে। যার কারণে একে একে বন্ধ হতে থাকে দেশের সব পর্যায়ের সিনেমাহল। এটা আমাদের চলচ্চিত্রের জন্য দারুণ উদ্বেগের।

টিকিয়ে রাখতে এই শিল্পের হাল ধরতে হবে সরকারকে। ক্রুটিপূর্ণ অভিনয়ের সিনেমার মুক্তির পথ রুদ্ধ করতে হবে। হুবহু বিদেশি সিনেমা বিশেষত ভারতীয় সিনোমার আদলে নির্মাণ করা চলচ্চিত্র যাতে কোন ভাবেই মুক্তি না পায়, সেদিকে সংশ্লিষ্টদের কড়া নজরদারির দরকার। শিল্পীদের অভিনয়ের মান বাড়াতে হবে। ভালোমানের সিনেমার জন্য সরকারি সহযোগিতা বাড়াতে হবে। সাধারণ দর্শক যাতে সিনেমা হলে আবার ফিরে আসে, এজন্য পরিচালক-প্রযোজককেও সুন্দরমানের সিনেমা নির্মাণ করতে হবে। এক্ষেত্রে  অধিক মুনাফার লোভ থেকে সংশ্লিষ্টদের বেড়িয়ে আসতে হবে।

দেশে চলচ্চিত্র শিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য, সুস্থ্য বিনোদন নিশ্চিত করার জন্য চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরাসহ সরকার আরো বেশি আন্তরিক হবেন-এমনটাই কাম্য সাধারণ দর্শকদের।

একই রকম সংবাদ

সম্পাদকঃ আলী অাহমদ
যোগাযোগঃ ১৪৮/১, গ্রীণ ওয়ে, নয়াটোলা, মগবাজার, ঢাকা-১০০০
ফোনঃ ০১৭৯৪৪৪৯৯৯৭-৮
ইমেইলঃ [email protected]

Copyrıght Bangladesh24online @ 2015.               এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি ।