ব্রেকিং নিউজ :
April 2, 2016

সরকারি প্রকল্প আর প্রতিষ্ঠানের নামে যায় রাজকোষের চুরি হওয়া অর্থ

images (5)রাজকোষের চুরি হওয়া অর্থ পাঠানো হয়েছিল সরকারি প্রকল্প আর প্রতিষ্ঠানের নামে। লোপাট হওয়া অর্থের যে অংশ শ্রীলঙ্কায় যায় তা পাঠানো হয়েছিল বাংলাদেশ পল্লীবিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) নামে। আর ফিলিপাইনে স্থানান্তর করা ৮১ মিলিয়ন ডলার পাঠানো  হয়েছিল বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের নামে। এসব প্রকল্পের মধ্যে ছিল সেতু, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও মেট্রো রেল। রয়টার্স ও ফাইনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

শ্রীলঙ্কার সন্দেহভাজন এক ব্যবসায়ীর সরবরাহ করা সুইফট মেসেজিং নথিপত্রের বরাতে গতকাল বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অর্থ প্রেরক হিসেবে সেখানে ছিল বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ সংস্থার নাম। হাগোডা গ্যামেজ শালিকা পেরেরা নামের ওই নারী ব্যবসায়ী সুইফট মেসেজিং সিস্টেম থেকে আসা বার্তার একটি অনুলিপি রয়টার্সকে দেখিয়েছে। তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২০ মিলিয়ন ডলার ঢোকার ‘রেমিটেন্স অ্যাডভাইসরি’তে লেখা আছে, ২০১০ সালে একটি বৈদ্যুতিক প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য জাইকার কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিল বিদ্যুৎ সংস্থা। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ডের চেয়ারম্যান একে ‘হাস্যকর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। সংস্থার প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মইন উদ্দিন বলেন, ‘তারা হয়তো সরকারি সংস্থার নাম ব্যবহার করেছে, একে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে।’

অর্থনীতি ও বাণিজ্যবিষয়ক প্রভাবশালী বৃটিশ দৈনিক ফাইনান্সিয়াল টাইমসের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিলিপাইনে পাচার হওয়া অর্থ পাঠানো হয়েছিল সেতু, বিদ্যুত কেন্দ্র, ঢাকা মেট্রো প্রকল্পসহ বিভিন্ন বাংলাদেশি অবকাঠামো প্রকল্পের নামে। এসব প্রকল্পের তথাকথিত পেমেন্ট হিসেবে আরসিবিসি ব্যাংকের চার অ্যাকাউন্টে ঢোকে ৮১ মিলিয়ন ডলার। এরপর সে অর্থ ফিলিপাইনের ক্যাসিনো জগতে মিলিয়ে যায়। এর মধ্য থেকে বৃহস্পতিবার ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার ফেরত দেয় ঘটনায় অন্যতম সন্দেহভাজন ক্যাসিনো জাঙ্কেট অপারেটর কিম ওং।

বাংলাদেশ২৪অনলাইন/এসএম

একই রকম সংবাদ

সম্পাদকঃ আলী অাহমদ
যোগাযোগঃ ১৪৮/১, গ্রীণ ওয়ে, নয়াটোলা, মগবাজার, ঢাকা-১০০০
ফোনঃ ০১৭৯৪৪৪৯৯৯৭-৮
ইমেইলঃ bangladesh24online.news@gmail.com

Copyrıght Bangladesh24online @ 2015.               এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি ।