ব্রেকিং নিউজ :
October 12, 2016

এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকাকে হুমকি বিবেচনা করছে চীন

%e0%a6%8f%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a7%82এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকাকে বেউজিং যে ভালো চোখে দেখে না, তা এবার সরাসরি জানিয়ে দিল চীন। নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক এক আন্তর্জাতিক ফোরামে আঞ্চলিক ক্ষেত্রে ‘মার্কিন আগ্রাসন’-এর তীব্র সমালোচনা করেছে দেশটি। সেখানে দক্ষিণ চীন সাগর এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় থাড (টিএইচএএডি) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপনেরও সমালোচনা করা হয় চীন পক্ষ থেকে।  এইসব তৎপরতাকে এশিয়ার জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করা হয়।

সম্প্রতি দক্ষিণ চীন সাগরে চীনা কর্তৃপক্ষের নির্মিত দুটি কৃত্রিম দ্বীপের কাছে কয়েকবার সামরিক মহড়া চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেই সঙ্গে চীনের মিত্র উত্তর কোরিয়ার চলমান পারমাণবিক পরীক্ষার পর মার্কিন কর্তৃপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়ায় থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপনেরও ঘোষণা দিয়েছে। এ নিয়ে চীন-মার্কিন দুই পরাশক্তির মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রশাসন এশিয়ায় সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ‘হুমকিস্বরুপ’ বলে মনে করছে চীন।

মঙ্গলবার বেইজিং-এ অনুষ্ঠিত ৭ম বার্ষিক জিয়াংশান আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা ফোরামে চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী চ্যাং ওয়াঙ্গুয়ান বলেন, ‘এশিয়ায় মার্কিন আগ্রাসন আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।’

যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, ‘কিছু দেশ আছে, যারা সামরিক একাধিপত্ত নিশ্চিত করতে চায়। বিরতিহীনভাবে তারা তাদের সামরিক মিত্রতা শক্তিশালী করছে। অন্য দেশের নিরাপত্তার বিনিময়ে হলেও তারা নিজেদের সর্বাত্মক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়।’

কোরিয়ার দ্বন্দ্ব-সংঘাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোরিয়া উপদ্বীপে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের জটিল সমীকরণে তারা নিজেদের লাভ তুলছে, সে সম্পর্কেও আমরা অবগত আছি।’ দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপনেরও চ্যাং সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘মাত্রাতিরিক্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করা আগ্রাসনের অপর দিক, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলবে।’

ফোরামে রাখা বক্তব্যে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী রবার্ট হোকে সতর্ক করে বলেন, ‘দক্ষিণ চীন সাগরে অনির্ধারিত জায়গার বিষয় সঠিক সিদ্ধান্ত না নিতে পারলে মার্কিন-চীন দ্বন্দ্ব ভয়াবহ আকার ধারণ করবে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।’

এবার জিয়াংশান ফোরামের বার্ষিক সভার স্লোগান ছিল, ‘প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংলাপের মধ্য দিয়ে এক নতুন ধরণের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নির্মাণ’। তিন দিনব্যাপী বার্ষিক সভা শুরু হয় ১০ অক্টোবর। ফোরামে প্রায় ৬৪টি দেশের ৪০০ প্রতিনিধি অংশ নেন। যার মধ্যে ৩৫০ জনই বিদেশি প্রতিনিধি।

সূত্রঃ এএফপি।

একই রকম সংবাদ

সম্পাদকঃ আলী অাহমদ
যোগাযোগঃ ১৪৮/১, গ্রীণ ওয়ে, নয়াটোলা, মগবাজার, ঢাকা-১০০০
ফোনঃ ০১৭৯৪৪৪৯৯৯৭-৮
ইমেইলঃ bangladesh24online.news@gmail.com

Copyrıght Bangladesh24online @ 2015.               এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি ।