ব্রেকিং নিউজ :
October 21, 2016

শতায়ু হবার পাঁচ রহস্য!

ভারতের স্বামী শিবানন্দের বয়স এখন ১২০ বছর!  শিবানন্দের জন্ম ৮ আগস্ট ১৮৯৬ সালে। ভারতে মানুষের গড় আয়ু ৬০ থেকে ৭৭ বছর। আর সেখানে কিভাবে তিনি এত বছর ধরে বেঁচে রয়েছেন? এ ক্ষেত্রে তার জীবনযাপনে বেশ কিছু বিষয় উঠে এসেছে। এছাড়া গবেষকরা বলছেন আরও কিছু বিষয় রয়েছে, যা মানুষের দীর্ঘজীবনের জন্য প্রয়োজনীয়।

খাবার‍ঃ ১২০ বছর বয়সী স্বামী শিবানন্দ জানান, তিনি কোনো মসলা ও তেল ছাড়া শুধু সেদ্ধ সবজি ও ভাত খান। এছাড়া ডাল ও কাঁচামরিচ খেতে পছন্দ করেন। গবেষকরা বলছেন, দীর্ঘজীবী হওয়ার জন্য প্রচুর সবজি, ফলমূল, বিভিন্ন ধরনের বাদাম, বীজ ও মটরশুটির মতো খাবার নিয়মিত খেতে হবে। এছাড়া রয়েছে দানাদার ও অপরিশোধিত খাবার, মাছের তেল ও অলিভ অয়েল। তবে দুগ্ধজাত খাবার, মাংস ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এ নিয়ন্ত্রণ আপনাকে সুস্থ হৃৎপিণ্ড ও দীর্ঘ জীবনে সহায়তা করবে। মেডিটেরিয়ান ডায়েট দীর্ঘজীবী হওয়ার অন্যতম চাবিকাঠি। এ ডায়েটেও রয়েছে অনুরূপ খাবার।

ধ্যান ও যোগাসন‍ঃ ধ্যান ও যোগাসন দীর্ঘজীবী হওয়ার অন্যতম চাবিকাঠি। গবেষকরা বলছেন মেডিটেশন ও ইয়োগার মতো বিষয়গুলো আপনার দীর্ঘজীবন লাভ করতে সহায়ক হবে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত মেডিটেশন করেন টেলোমেরেস এনজাইমের কার্যক্ষমতা তাদের ৩০ শতাংশ বেশি দেখা গেছে। এটি বয়স বৃদ্ধির ক্রোমোজম রক্ষা করে এবং মানুষকে দীর্ঘজীবী হতে সহায়তা করে। মেডিটেশন ও ইয়োগাতে মানুষের মানসিক চাপ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। আর এতে দেহ দীর্ঘদিন সুস্থ থাকে।

অ্যারোবিক এক্সারসাইজ‍ঃ শারীরিক অনুশীলনের মাধ্যমে শুধু সুস্থ মাংসপেশি কিংবা পর্যাপ্ত রক্তচলাচলই নিশ্চিত করা যায় না, এটি আরও বহু উপকার করে। শারীরিক অনুশীলনের ফলে মস্তিষ্কসহ সারা দেহেই বাড়তি অক্সিজেন পৌঁছে যায়। আর এতে মস্তিষ্কের কোষগুলো নতুন করে জীবনলাভ করে। ফলে মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে এবং দেহও সঠিকভাবে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন করেন তাদের অন্যদের তুলনায় উচ্চ কোলস্টেরল, রক্তচাপ ও স্থূলতার ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

বিয়ে ও যৌনতা‍ঃ যৌনতার ফলে দেহে বেশ কিছু হরমোন নিঃসরিত হয়, যা সুস্থ দেহের জন্য খুবই কার্যকর। এ হরমোন মানুষকে দীর্ঘদিন সতেজ থাকতেও সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রায় ২৫ বছর বয়সে বিয়ে করে দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বৈবাহিক সম্পর্ক টিকিয়ে রেখেছেন, তারা অন্যদের তুলনায় দীর্ঘজীবী হয়েছেন।

জিনঃ মানুষের দীর্ঘজীবনের পেছনে বংশগতির ভূমিকা রয়েছে। অনেকেরেই জিনে দীর্ঘজীবনের সূত্র থাকে, যা তাদের দীর্ঘ জীবন লাভে সহায়ক। তবে সুস্থ জীবনযাপনে জিনগত সীমাবদ্ধতাও অনেকাংশে কাটিয়ে ওঠা যায়। অনেকেরই বংশগতভাবে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারের আশঙ্কা থাকে না। এ ধরনের ব্যক্তিদের অন্যদের তুলনায় দীর্ঘজীবন লাভ করা সহজ।

সূত্রঃ হিন্দুস্তান টাইমস

একই রকম সংবাদ

সম্পাদকঃ আলী অাহমদ
যোগাযোগঃ ১৪৮/১, গ্রীণ ওয়ে, নয়াটোলা, মগবাজার, ঢাকা-১০০০
ফোনঃ ০১৭৯৪৪৪৯৯৯৭-৮
ইমেইলঃ bangladesh24online.news@gmail.com

Copyrıght Bangladesh24online @ 2015.               এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি ।