ব্রেকিং নিউজ :
October 26, 2016

যুক্তরাষ্ট্রে মহামারীর মতো ছড়াচ্ছে ক্লাউন ভীতি!

maxresdefault“ক্লাউন” বা ভাড়, মুখে রঙ মেখে রঙিন পরচুলা পরে মানুষকে আনন্দ দেয়াই যার কাজ। কিন্তু এই ক্লাউন এখন আতংকের কারণ। যুক্তরাষ্ট্রে  মহামারীর মত ছড়াচ্ছে এই ক্লাউন ভীতি।

ক্লাউন-ফোবিয়া, যাকে মনোবিদরা একে ‘কালরোফোভিয়া’ বলে ডাকেন। গত অগাস্ট মাসে সাউথ ক্যারোলিনার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সেখানে ক্লাউনের পোশাক পরিহিত এক ব্যাক্তি শিশুদের জঙ্গলের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে গুজব রটে। এতে সেখানে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। আতঙ্কে দিশাহারা হয়ে অনেকে বন্দুক হাতে এদিক-ওদিক ধাওয়া করতে শুরু করেন। কিছু জায়গায় আতঙ্কগ্রস্তরা গুলিও চালান। জর্জিয়ায় এক ছাত্রীকে ক্লাসে ছুরি নিয়ে আসার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। সে জানায়, কিলার ক্লাউনের মোকাবিলা করার জন্যই সে সঙ্গে ছুরি রেখেছে। এদিকে নিজের শ্রেনী শিক্ষক কে হত্যা করার জন্য কিলার ক্লাউনকে অনুরোধ জানিয়েছে ভর্জিনিয়ায় এক ছাত্র। এরপর শুরু হয় টহলদারি, সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে গুজব আর পাল্টা গুজব। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় প্যানিক-স্টেটমেন্টের প্রচার।

যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন পার্কে কিংবা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ক্লাউন সেজে জীবিকা নির্বাহ করেন এমন ব্যবকির সংখ্যাও কম নয়। এসব ঘটনায় তারা পড়েছেন মহাবিপাকে। ক্লাউন ভীতির ফলে এখন তাদের উপার্জন বন্ধ হওয়ার পথে।

প্রসঙ্গত, ক্লাউন থেকে ভয়, বা ‘কালরোফোবিয়া’ কোনও নতুন ব্যাপার নয়। এর আগে বহুবার এমনটা দেখা গিয়েছে। কালরোফোবিয়া-কে মূলধন করেই প্রখ্যাত হরর লেখক স্টিফেন কিং তাঁর সাড়া ডাগানো উপন্যাস ‘ইট’ লিখেছিলেন। এছাড়াও অসংখ্য ছবি হলিউডে তৈরি হয়েছে এই ক্লাউন-ভীতিকে ঘিরে। তবে সম্প্রতি ছড়ানো নতুন ক্লাউনা আতঙ্কের সঙ্গে সিনেমার পর্দার ক্লাউনদের কোনও যোগাযোগ খুঁজে পায়নি যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ।

দেখুন ক্যামেরায় ধরা পড়া ১৫টি কিলার ক্লাউনের ভিডিও

বাংলাদেশ২৪অনলাইন/এএন/টিএম

একই রকম সংবাদ

সম্পাদকঃ আলী অাহমদ
যোগাযোগঃ ১৪৮/১, গ্রীণ ওয়ে, নয়াটোলা, মগবাজার, ঢাকা-১০০০
ফোনঃ ০১৭৯৪৪৪৯৯৯৭-৮
ইমেইলঃ [email protected]

Copyrıght Bangladesh24online @ 2015.               এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি ।