যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরে গাজা উপত্যকার শাসনভার অন্য কারও হাতে তুলে দিতে একটি জাতীয় কমিটি গঠনে কাজ করছে তিন দেশ-যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ফিলিস্তিনের রাজনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ীদের নিয়ে এ কমিটি গঠন করতে চায় তারা। এই কমিটি অধিকৃত উপত্যকার শাসনভার কাঁধে তুলে নেবে।
কমিটিতে ফিলিস্তিনের সব পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করার কথা থাকলেও বাস্তবে কমিটির সদস্যরা হবেন ফাত্তাহর সাবেক নির্বাসিত নেতা ও ফিলিস্তিনের স্ট্রংম্যান মোহাম্মদ দাহলানের বিশ্বস্ত লোকজন। সূত্রের বরাত দিয়ে এমন খবর জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই ।
গাজার নিয়ন্ত্রণ ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামীদের হাতে থাকলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মাহমুদ আব্বাস ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু আব্বাস ও তার মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। আবার স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের হাতেও গাজাকে ছেড়ে দিতে চায় না ইসরায়েল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। তাই গাজা থেকে তাদের নির্মূলের পর এ ভূখন্ডের শাসনভার অন্য কারও হাতে তুলে দিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা।
খবরে জানানো হয়েছে, পরিকল্পনা মেনে নিতে আব্বাসকে চাপ দিয়ে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলো। এসব দেশের তালিকায় মিশর ও জর্ডানের নাম থাকলেও এখনও নিজেকে সরিয়ে রেখেছে কাতার। গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়টি ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের শীর্ষ নেতৃত্বকে চাপ দিয়ে যাচ্ছে দেশটি।
এদিকে জাতীয় কমিটি গঠনে সম্ভাব্য প্রতিনিধিদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন দাহলান ও আমিরাতের কর্মকর্তা। স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পর কমিটির প্রথম কাজ হবে গাজায় আরব ও আন্তর্জাতিক সেনাদের নিয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর প্রবেশ নিশ্চিত করা। এমন প্রস্তাব দিয়েছেন আমিরাতের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা।
বিডি২৪অনলাইন/আই/এমকে