এর আগে ডিমের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক প্রত্যাহারেরও সুপারিশ করা হলেও সেটা বাস্তবায়ন না হওয়ায় আবারও এ পণ্য থেকে শুল্ক-কর প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ট্যারিফ কমিশনের বাণিজ্যনীতি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে এনবিআরকে চিঠি হয়েছে। এনবিআর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
চলতি বছর বন্যায়নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের ওপর শুল্ক কমানোর সুপারিশ করে ট্যারিফ কমিশন। সেই সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে আলু ও পেঁয়াজের ওপর বিদ্যমান শুল্ক-কর কমানো হলেও ডিমের ক্ষেত্রে সেটা বাস্তবায়ন হয়নি। এ অবস্থায় ডিমের দাম ডজনপ্রতি বেড়ে ১৮০-১৮৫ টাকা হয়েছে। বর্তমানে ডিম আমদানিতে ৩৩ শতাংশ শুল্ক-কর দিতে হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, আলু ও পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক হ্রাস করায় স্থানীয় বাজারে এ দুটো পণ্যের মূল্যে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে বলে দেখা গেছে। কিন্তু ডিম আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সম্প্রতি স্থানীয় বাজারে ডিমের পর্যাপ্ত সরবরাহে ঘাটতির কারণে এর দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে।
টিসিবির হিসাবে এক মাসে ডিমের স্থানীয় মূল্য ১৫ শতাংশ এবং ১ বছরে ২০ দশমিক ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। এ অবস্থায় স্থানীয় বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য দেশের পোলট্রি শিল্পে সুরক্ষা বিবেচনায় সুনির্দিষ্ট মেয়াদে শুল্ক ছাড়ের মাধ্যমে ডিম আমদানির করা হলে পোলট্রি শিল্পের ওপর নেতিবাচক প্রভাবের সম্ভাবনা কম। গত বছরগুলোতে ডিম আমদানি না হওয়ায় স্বল্প মেয়াদে শুল্ক-করাদি ছাড়ের ফলে সরকারের রাজস্ব ক্ষতিরও আশঙ্কা নেই। কমিশন মনে করে, আমদানি পর্যায়ে ডিমের ওপর শুদ্ধ-করাদি স্বল্প সময়ের জন্য প্রত্যাহার করা হলে স্বস্তি ফিরবে সাধারণ মানুষের মাঝে।
বিডি২৪অনলাইন/ই/এমকে