ঘুরে দাঁড়াচ্ছে অর্থনীতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ নভেম্বর ২০২৪

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সাময়িক উন্নতি করেছে দেশের অর্থনীতি। অস্থিতিশীলতা কাটিয়ে আমদানি, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং রিজার্ভের পতন ঠেকানোর মাধ্যমে প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখছে। তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি, সরকারি ব্যয় হ্রাস, কর্মসংস্থান বিনিয়োগের গতি কমে যাওয়ার মতো চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। এসব বিষয় জানিয়েছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)। অর্থনীতিকে স্বাভাবিক ধারায় ফেরাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধার এখন জরুরি অগ্রাধিকার দেওয়া দরকার বলেও মনে করছে সংগঠনটি।

সম্প্রতি প্রকাশিত অর্থনীতির ত্রৈমাসিক পর্যালোচনায় এমসিসিআই বলেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। এ সময়ে প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ, রেমিট্যান্স এসেছে মোট ৬৫৪ কোটি ২৭ লাখ ডলার। প্রান্তিকের শেষ মাস সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮০ দশমিক ২২ শতাংশ।

সংগঠনটির পর্যালোচনা অনুযায়ী, এ প্রান্তিকে দেশের অভ্যন্তরীণ ঋণপ্রবাহ কমে গেছে। ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধি ছিল দশমিক ১০ শতাংশ। আগের বছরে একই সময়ে এটা ছিল ১২ দশমিক ৮৯ শতাংশ।  চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশীয় ঋণের মধ্যে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ২০ শতাংশ। আগের বছরে একই সময়ে  এটা ছিল দশমিক ৬৯ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সরকারের ঋণ নেওয়ার প্রবৃদ্ধি দশমিক ৭৫ শতাংশ হয়েছে। একই সময়ে আগের বছরে যেটা ছিল ২৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সরকারের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক শতাংশ। সে হিসাবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম ঋণ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্রড মানির প্রবৃদ্ধিও এ প্রান্তিকে কমে এসেছে, প্রবৃদ্ধি হয়েছে দশমিক ৮৮ শতাংশ। আগের বছরে একই সময়ে এটা ছিল   দশমিক ৯৬ শতাংশ।

 

ওদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ১১ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে দেশ থেকে। আগের অর্থবছরে সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন। সে হিসাবে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে দশমিক ৬২ শতাংশ। তবে প্রান্তিকের শেষ মাস সেপ্টেম্বরে আগস্টের চেয়ে ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ কমেছে রপ্তানি। রপ্তানির বিপরীতে চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে আমদানি বেড়েছে দশমিক ৬৪ শতাংশ, আমদানি হয়েছে মোট ১৬ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ। আগের অর্থবছরে সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ১৫ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার।

 

বিডি২৪অনলাইন/ই/এমকে


মন্তব্য
জেলার খবর