মূল্যস্ফীতি বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
০৭ ডিসেম্বর ২০২৪

সাধারণ মানুষের আয় সেভাবে বাড়ছে না, কিন্তু বেড়েছে খাদ্যপণ্যের দাম। এ নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। কারণ, দাম চড়া থাকায় সংসার খরচের যোগান দিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)’র হিসাবে, দেশে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি গত সেপ্টেম্বরের চেয়ে অক্টোবরে বেড়েছিল। আর অক্টোবরের তুলনায় গত নভেম্বরে সেটা আরও বেড়েছে। নভেম্বর মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ হয়েছে।

সম্প্রতি নভেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্যসূচকের (সিপিআই) হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে বিবিএস। এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে কিছুটা স্বস্তি এসেছিল মূল্যস্ফীতিতে।

বিবিএস জানায়, অক্টোবর মাসে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি ফের বেড়ে ১২ দশমিক ৬৬ শতাংশ হয়। অর্থাৎ ১০০ টাকায় যে খাদ্যপণ্যে কেনা গেছে, এক বছরের ব্যবধানে  সেই একই পণ্য কিনতে ১১৩ টাকা ৮০ পয়সা খরচ করতে হয়েছে ভোক্তাদের। চাল, ডাল, তেল, লবণ শুরু করে মাছ, মাংস, সবজি, মসলাজাতীয় পণ্যের দাম বাড়ায় খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, শুধু খাদ্যপণ্যেই নয়, নভেম্বর মাসে সাধারণ বা গড় মূল্যস্ফীতির হারও বেড়েছে, দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশে। অক্টোবরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ। নভেম্বর মাসে বাড়িভাড়া, আসবাবপত্র, গৃহস্থালি, চিকিৎসাসেবা, পরিবহন শিক্ষা উপকরণের দাম বেড়েছে, এ খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ। অক্টোবর মাসে এ খাতের মূল্যস্ফীতি ছিল দশমিক ৩৪ শতাংশ।

জানা গেছে, সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের দাবিতে জুলাই মাসজুড়ে আন্দোলন করেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে এক ধরনের অচল অবস্থা দেখা যায় দেশে, বিশেষ করে দেশের সঙ্গে ঢাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ব্যাহত হয় পণ্যের সরবরাহ। ফলে জুলাই মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে যায়, দাঁড়ায় ১৪ দশমিক ১০ শতাংশে। দেশের ইতিহাসে এর আগে এভাবে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি দেখা যায়নি। তবে গতবছরের আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ হয়েছিল। এটা ছিল গত ১২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

 

বিডি২৪অনলাইন/এন/এমকে


মন্তব্য
জেলার খবর