বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেয়ার সংশ্লিষ্ট আইনের ধারাতেই তার বিদেশে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (৯ মে) রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ তথ্য জানান।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার মৃত্যুদণ্ডের আসামিদের মুক্তি দিয়ে দিচ্ছে, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের বাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খালেদা জিয়ার সঙ্গে অন্যায় আচরণ করছে।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়াকে দেখতে যান মির্জা ফখরুল। এদিকে রোববার বিকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আইন অনুযায়ী দণ্ড মওকুফ করে খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর কোনও সুযোগ নেই।
প্রসঙ্গত, গত ১১ এপ্রিল করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে খালেদা জিয়ার। এরপর বাসায় চিকিৎসা নিলেও ২৭ এপ্রিল রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। পরদিন তার চিকিৎসার জন্য ১০ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। ৩ মে তাকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। ৬ মে সকালে তার করোনা নেগেটিভ হওয়ার খবর জানাজানি হয়। এর আগের রাতে ( ৫ মে) খালেদা জিয়ার ভাই শামীম এস্কান্দার খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদনপত্র চিঠি নিয়ে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। চিঠি পাওয়ার পরে সাংবাদিকদেরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সরকার আবেদনের বিষয়টি ইচিবাচক হিসেবেই দেখতে । এর অংশ হিসেবে মতামতের জন্য চিঠিটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় । পরে খালেদা জিয়াকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতির আবেদন মঞ্জুর করা হয়নি বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এমকে