জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের (২০২১-২২) প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনের পর তিন দফায় বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। প্রস্তাবিত বাজেটে কিছু নিত্যপণ্যের ওপর নতুন করে কর আরোপ না করা হলেও দাম বেড়েছে সেগুলোর। দফায় দফায় বাড়ায় ক্রেতাদের মাঝে বিরাজ করছে ক্ষোভ ও হতাশা, বিশেষত নির্দিষ্ট ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে।
দাম বৃদ্ধির তালিকায় আছে- চাল, ডাল, সয়াবিন তেল, পেঁয়াজ, আটা, আদা, রসুন, ডিমসহ ১০ টি পণ্য। ৩ জনু থেকে ৮ জুন সময়ে এসব পণ্যের দাম বাড়ে। ৩ জুন বিকালে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটটি উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ।
মঙ্গলবার কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫২ টাকা। আর ৫ টাকা বেড়ে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকায়।প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনের আগের দিনও এ পেঁয়াজের দাম ছিল ৩৮ টাকা। পেঁয়াজের সঙ্গে মঙ্গলবার নতুন করে বেড়েছে সয়াবিন, ডিম, রসুন ও দেশি আদার দাম। ৩০ টাকা হালির ডিম ৩৫ টাকা, ১০০ টাকা কেজির দেশি আদা ১৪০ টাকা, ৬০ টাকা কেজির রসুন ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এখন । দিনের ব্যবধানে ৫ লিটার বোতলের সয়াবিনের দাম বেড়েছে ২০ টাকা। সোমবারের ৬৬০ টাকার এ সয়াবিনের বোতল মঙ্গলবার বিক্রি হয়েছে ৬৮০ টাকায়। এছাড়া ১০০ টাকা কেজির মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়।
রাজধানীতে কেজিতে চালে দুই থেকে ৩ টাকা ও আটা-ময়দায় দুই টাকা দাম বেড়েছে । একইভাবে বেড়েছে গরুর মাংস, মাছের দামও। প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনের আগের ৫৮ থেকে ৬০ টাকার ভালো মানের নাজিরশাইল ৬০ টাকায় থেকে ৬২ টাকা, ৬০ থেকে ৬২ টাকার মিনিকেট ৬৪-৬৫ টাকায়, ৫০-৫২ টাকার ২৮ ও ২৯ ধানের চাল ৫৪ টাকায় এবং ৪৬-৪৭ টাকার মোটা পাইজাম চাল ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি। একইভাবে ৩২ টাকার খোলা আটা ৩৪ টাকা, প্যাকেট আটা ৩৭ থেকে ৩৮ টাকা ও ঈদের আগের ৪০ টাকার প্যাকেট ময়দা ৪৪ টাকা থেকে ৪৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি। প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন ১৩৮ টাকা থেকে ১৪০ টাকায় ও পাম ওয়েল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লিটারপ্রতি বোতলের তেল বিক্রি হচ্ছে ১৫২-১৫৩ টাকায়। কেজি প্রতি ভালো মানের মসুর ডাল ১১৫-১২০ টাকায়, মধ্যম মানের মসুর ডাল ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে । এদিকে বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।
এমকে